গোলাম আজম ইরাদ:মাদারীপুর–৩ সংসদীয় আসনের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তুলনামূলকভাবে এগিয়ে রয়েছে—এমনটাই মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। বিগত নির্বাচনের ফলাফল ও বর্তমান প্রেক্ষাপট পর্যালোচনায় এ চিত্র উঠে এসেছে।এই আসনে আওয়ামী লীগের একটি বড় ও সুসংগঠিত ভোটব্যাংক রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন। তবে বর্তমান বাস্তবতায় দলটির নির্বাচনী অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকায় প্রতিদ্বন্দ্বিতার হিসাব ভিন্নভাবে বিবেচিত হচ্ছে।
বিগত নির্বাচনের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চার দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী হিসেবে বিএনপি সর্বোচ্চ ২৬ দশমিক ৭ শতাংশ ভোট অর্জন করে। এর আগে ১৯৯১ সালের নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এককভাবে ১৬ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট পায়। এসব পরিসংখ্যান মাদারীপুর–৩ আসনে জামায়াতে ইসলামীর ধারাবাহিক ভোটভিত্তির ইঙ্গিত দেয়।বর্তমান প্রেক্ষাপটে এই আসনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বিএনপি ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে—এমনটাই ধারণা রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের। জোট রাজনীতির ক্ষেত্রে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে যুক্ত হলে দলটি কিছুটা লাভবান হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে জোট না হলেও জামায়াতের অবস্থানে বড় ধরনের প্রভাব পড়বে না বলে সংশ্লিষ্টদের মত।
এদিকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা রফিকুল ইসলামের ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা, সাংগঠনিক শক্তি এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে গ্রহণযোগ্যতা এই আসনে দলটির সম্ভাবনাকে আরও জোরালো করছে বলে দাবি দলীয় নেতাদের।
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দ দলীয় কর্মী ও সমর্থকদের প্রতি আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মাঠপর্যায়ে সক্রিয় থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তারা নিজ নিজ অবস্থান থেকে সংগঠিতভাবে প্রচার ও সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার করার নির্দেশনা দেন ।