নিজস্ব প্রতিবেদক: মাদারীপুরে সংরক্ষিত মহিলা আসনকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন মুনমুন আক্তার। তিনি বর্তমানে কেন্দ্রীয় মহিলা দলের সহ-অর্থ বিষয়ক সম্পাদক এবং জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
দীর্ঘদিন ধরে দলীয় রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা, তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনকে শক্তিশালী করা এবং নারীদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ বাড়াতে কাজ করার কারণে তাঁর নাম এখন জেলাজুড়ে আলোচনায় শীর্ষে। ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামেও তাঁর ভূমিকা ছিল চোখে পড়ার মতো। তিনি দীর্ঘদিন ফ্যাসিবাদী সরকারের সময় রাজনৈতিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন; দলীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকার কারণে একাধিক মামলা ও হামলার সম্মুখীন হতে হয়েছে। এসব প্রতিকূলতা সত্ত্বেও তিনি সংগঠন ও নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখতে এবং দলীয় কর্মসূচি বাস্তবায়নে অবিচল থেকে কাজ করে গেছেন।
এছাড়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে তিনি মাদারীপুর-২ আসনের দলীয় প্রার্থীর পক্ষে নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে নির্বাচনী প্রচারণায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। মাঠপর্যায়ে গণসংযোগ, উঠান বৈঠক, কর্মী সমাবেশ ও ভোটারদের সঙ্গে ধারাবাহিক যোগাযোগ রক্ষার মাধ্যমে দলীয় অবস্থান শক্তিশালী করতে কাজ করে গেছেন।
মাদারীপুর জেলাবাসীর প্রত্যাশা, তারেক রহমান তাঁর রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক দক্ষতার যথাযথ মূল্যায়ন করবেন। স্থানীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মতে, দীর্ঘদিনের ত্যাগ, নিষ্ঠা ও সক্রিয় ভূমিকার ভিত্তিতে মুনমুন আক্তার প্রাপ্য সম্মান ও দায়িত্ব পাবেন—এমনটাই তাদের দৃঢ় বিশ্বাস।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সংগঠনিক দক্ষতা, আর্থিক ব্যবস্থাপনায় অভিজ্ঞতা এবং মাঠপর্যায়ে সক্রিয় উপস্থিতি—সব মিলিয়ে মুনমুন আক্তার ইতোমধ্যেই নিজেকে শক্ত অবস্থানে নিয়ে গেছেন। এখন দেখার বিষয়, দলীয় মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় শেষ পর্যন্ত কাকে চূড়ান্ত করা হয়। তবে সংরক্ষিত মহিলা আসন নিয়ে মাদারীপুরে মুনমুন আক্তারের নাম যে জোরালোভাবে আলোচনায় রয়েছে, তা বলাই যায়।