মাদারীপুর প্রতিনিধি:মাদারীপুরে রাজনৈতিক অঙ্গনের গণ্ডি পেরিয়ে সাধারণ মানুষের জীবনে সরাসরি প্রভাব ফেলছেন যুবদলের সদস্য সচিব মনিরুজ্জামান ফুকু। তাঁর মানবিক কাজ, দরিদ্রবান্ধব উদ্যোগ এবং চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান তাঁকে সাধারণ মানুষের কাছে ‘গরিবের ত্রাণকর্তা’ হিসেবে পরিচিত করেছে।
মানুষের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি বাস্তব কাজে রূপ নিচ্ছে
অটো রিকশা চালক সাগর বলেন, ফুকু ভাই শুধুমাত্র রাজনৈতিক নেতা নন; তিনি একজন সামাজিক কর্মী হিসেবে সবসময় মানুষের সমস্যার কথা শোনেন এবং তাৎক্ষণিক সমাধানে এগিয়ে আসেন।
তিনি অসুস্থ রোগীদের চিকিৎসা সহায়তা, দরিদ্র পরিবারে খাদ্য সহায়তা, ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি মেরামত, বেকার যুবকদের চাকরির ব্যবস্থা, এবং শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় সহযোগিতা—এসব কাজে দীর্ঘদিন ধরেই যুক্ত।
মাদারীপুর লেক পারের স্থানীয় বাসিন্দা মিজান বলেন ,
“রাজনৈতিক নেতা তো অনেকই আছে, কিন্তু ফুকু ভাই মানুষের দুঃখ-কষ্ট নিজের মতো করে নেন। তাঁকে ফোন দিলে তিনি সত্যিকারের সাহায্য করতে আসেন।”
মনিরুজ্জামান ফুকু বলেন,মানবিকতা ছাড়া রাজনীতি অর্থহীন মানবসেবায় নিজের অঙ্গীকার প্রসঙ্গে “মানুষের ভালোবাসাই আমার পথ চলার শক্তি। কেউ সমস্যায় পড়লে দল–মত–ধর্ম–বর্ণ না দেখে আমি পাশে দাঁড়াতে চাই। রাজনীতি মানে মানুষের পাশে থাকা।”
চাঁদাবাজি ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স
শুধু সাহায্য-সহযোগিতাই নয়; সমাজকে অপরাধমুক্ত রাখার ব্যাপারে তাঁর অবস্থান পরিষ্কার ও কঠোর।
চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন,
“আমি চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে। চাঁদাবাজদের আমার কাছে কোনো ঠাই নেই। মাদারীপুরে সন্ত্রাস–চাঁদাবাজি সৃষ্টি করতে চাইলে কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে।”
তার এই অবস্থান স্থানীয় যুবসমাজের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টি করেছে এবং চাঁদাবাজি–সন্ত্রাসবিরোধী মনোভাবকে আরও শক্তিশালী করেছে।
তরুণদের মাঝে বাড়ছে অনুপ্রেরণা ফুকুর কাজ দেখে এলাকার তরুণরা সামাজিক কাজে আরও বেশি সম্পৃক্ত হচ্ছে। বিভিন্ন মানবিক কার্যক্রমে স্বেচ্ছাসেবী অংশগ্রহণ, পথশিশুদের সহযোগিতা, রক্তদানের উদ্যোগসহ নানা কাজ বাড়ছে।
এক কলেজ শিক্ষার্থী মিল্লাদ বলেন, “ফুকু ভাইকে দেখে আমরাও সমাজের জন্য কিছু করার ইচ্ছা পাচ্ছি। তিনি আমাদের অনুপ্রেরণা।”
মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিচ্ছে মানবিক রাজনীতি
মাদারীপুরে মনিরুজ্জামান ফুকুর মানবিক কর্মকাণ্ড এবং সুস্পষ্ট অবস্থান স্থানীয়দের মাঝে রাজনৈতিক ভিন্নধারার আশা সৃষ্টি করেছে। অনেকেই বলছেন, এ ধরনের জনমানুষের নেতা এলাকায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সক্ষম।