গোলাম আজম ইরাদ:ডাঃ সমিরন হালদার তিনি একজন অভিজ্ঞ ও দক্ষ দন্ত চিকিৎসক, যিনি দীর্ঘদিন ধরে নিষ্ঠা ও সুনামের সঙ্গে চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছেন। বয়সে তরুণ হলেও পেশাগত অভিজ্ঞতায় তিনি অত্যন্ত সমৃদ্ধ। তার আন্তরিকতা, দক্ষতা ও আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতির কারণে তিনি ইতোমধ্যেই মাদারীপুর জেলা শহরে ব্যাপক সুনাম অর্জন করেছেন।
তিনি বিডিএস (ঢাকা) এবং পিজিটি (ওএমএস), শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতাল থেকে সম্পন্ন করেছেন। বর্তমানে তিনি একজন ওরাল অ্যান্ড ডেন্টাল সার্জন হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও তিনি ওরাল অ্যান্ড ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জারিতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। আধুনিক দন্ত চিকিৎসার বিভিন্ন বিষয়ে তার রয়েছে বিশেষ প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা। এর মধ্যে রয়েছে—
অ্যাডভান্সড এন্ডোডন্টিকস অ্যান্ড কসমেটিক ডেন্টিস্ট্রি, প্রফেশনাল টুথ ইমপ্লান্টোলজি এবং অ্যাডভান্স ট্রেনিং ইন অর্থোডন্টিকস (BOC)।
পুরান বাজার প্রধান সড়কে অবস্থিত তার চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান “ডিজিটাল ডেন্টাল অ্যান্ড ইমপ্লান্ট সেন্টার” গত ২০২১ সাল থেকে সফলতার সঙ্গে সেবা দিয়ে আসছে। আধুনিক যন্ত্রপাতি, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং রোগীবান্ধব ব্যবহারের কারণে প্রতিদিনই অসংখ্য রোগী তার চেম্বারে ভিড় করেন। রোগীরা জানান, ডা. সমীরণ হালদারের চিকিৎসা যেমন উন্নতমানের, তেমনি তার ব্যবহারও অত্যন্ত আন্তরিক ও মানবিক।
দাঁতের যেকোনো সমস্যার সহজ ও কার্যকর সমাধানে তিনি বিশেষভাবে দক্ষ। দাঁতের সার্জারি থেকে শুরু করে রুট ক্যানেল ট্রিটমেন্ট, ডেন্টাল ইমপ্লান্ট, কসমেটিক ডেন্টিস্ট্রি, দাঁত ফর্সা করা, ডিজিটাল স্মাইল ডিজাইন, দাঁতের ক্রাউন-ব্রিজ, ফিক্সড ব্রেসেস, ডেন্টাল এক্স-রে, রং মিলিয়ে দাঁতের ফিলিং, স্পেলিং পলিশ, আক্কেল দাঁতের চিকিৎসাসহ বিভিন্ন আধুনিক সেবা প্রদান করে থাকেন।
বিশেষ করে আঁকাবাঁকা, উঁচু-নিচু ও ফাঁকা দাঁতের চিকিৎসায় তিনি অত্যন্ত যত্নশীল। মুখ ও দাঁতের সৌন্দর্য এবং সুরক্ষায় আধুনিক ও উন্নত চিকিৎসা সেবা প্রদানই তার মূল লক্ষ্য।
মাদারীপুর ছাড়াও তিনি শরীয়তপুরে একটি চেম্বারে নিয়মিত রোগী দেখেন। রোগীদের জন্য সময় ব্যয় করা এবং আন্তরিকতার সঙ্গে চিকিৎসা প্রদান করাকে তিনি নিজের দায়িত্ব মনে করেন। ডাঃ সমিরন হালদার জানান, আগামী জুন মাসের মধ্যেই মাদারীপুর শকুনি লেকপার জেলখানার কোনা চৌধুরী প্লাজায় আধুনিক মানের একটি ডেন্টাল ক্লিনিক উদ্বোধন করতে যাচ্ছেন।
সদা হাস্যোজ্জ্বল ও মানবিক এই চিকিৎসক ইতোমধ্যেই মাদারীপুরের সর্বস্তরের মানুষের আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছেন।